চিন্তাশূন্য সচেতনতা

চিন্তাশূন্য সচেতনতা

২৭ মার্চ ১৯৯৪, ৫ জুলাই ১৯৯৮ এবং ১৯৯৪ সালের একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে দেওয়া বক্তৃতার বিশেষ অংশ।

আপনি সচেতন, কিন্তু চিন্তাশূন্য। এটাই সেই অবস্থা বা স্থিতি, যেখানে আপনি বর্তমানে রয়েছেন এবং শান্তিতে আছেন। এটাই সেই স্থিতি যেখানে আপনি আধ্যাত্মিকভাবে উন্নীত হন।"

চিন্তাশূন্য সচেতনতা হল প্রথম মনোরম স্থিতি (যা) তোমাদের অর্জন করতে হবে। এটা তোমাদের শান্তি ও সাক্ষী হয়ে জীবনের নাটক উপভোগ করার স্থিতি দেবে, যখন তোমরা নিজের মধ্যে বেড়ে উঠবে (তখন) বিভিন্ন ধরণের মানুষকে উপভোগ করবে।

যা কিছু সুন্দরভাবে সৃষ্টি হয়েছে, তা তুমি উপভোগ করো। তুমি এটা নিয়ে চিন্তা করো না, কোনো প্রতিক্রিয়া করো না। প্রতিক্রিয়া হয় এই যে, সেখানে আনন্দ হয়। এটা কী অপূর্ব সুন্দর! কে এটি তৈরি করেছে, এর দাম কত হতে পারে — এসব তুমি চিন্তা করো না, কিছুই না। তুমি চিন্তাশূন্য হয়ে যাও। এই চিন্তা শূন্য সচেতনতা আর কিছুই নয় বরং এক আনন্দের পরিপূর্ণতার অনুভূতি — (এক) আনন্দ, যা সুখ বা দুঃখ কোনোটাই নয়, বরং অদ্বিতীয় (এক অনুভূতি)।

তুমি এটিকে শব্দ দ্বারা বর্ণনা করতে পারবে না, কিন্তু নিজের অন্তরে সত্যি অনুভব করতে পারো—নিজস্ব সত্ত্বাকে উপলব্ধির আনন্দ। যখন তুমি চিন্তা শূন্য হয়ে যাও, তখনই তুমি প্রকৃত সত্যকে দেখতে ও অনুভব করতে পারো।